কারখানার পেছনের সেই নির্জন আমগাছতলা। মাথার ওপর কৃষ্ণচূড়া ফুলগুলো চৈত্র-বৈশাখের শেষে এসেও কেমন যেন রক্তিম আভা ছড়াচ্ছে। ঠিক দুপুর বেলা, চারদিক নিঝুম। বাতাসে একটা অন্যরকম মাদকতা। একা একা গাছের নিচে দাঁড়িয়ে নিজের শাড়ির আঁচলটা আঙুলে পেঁচাচ্ছিল এক অদ্ভুত রূপসী নারী। প্রথম দেখায় তাকে এই এলাকার কেউ বলে মনে...…
বাস্তব কদম আলী একটা বাঁশের কঞ্চি দিয়ে মাটিতে হিজিবিজি কাটছেন আর ভাবছেন দেশের বাজারের হালচাল নিয়ে। ঠিক তখনই কোনো মহাকাশযান নয়, বরং সরাসরি আকাশ থেকে একটা আলোর গোলক এসে ফাটল বটগাছের ঠিক সামনে। ধোঁয়া সরে যেতেই দেখা গেল ‘এলিয়েন কদম আলী’কে। তবে এবার তার রূপ একেবারে আলাদা! পরনে চকচকে ওয়েস্টার্ন কোট-প্যান্ট...…
গ্রামের এক বিশাল বটগাছের নিচে একা একা বসে বিড়ি টানছিলেন আমাদের চেনা-জানা বাস্তব ‘কদম আলী’। পরনে লুঙ্গি আর গায়ে একটা মলিন স্যান্ডো গেঞ্জি। হঠাৎ আকাশ থেকে বিকট শব্দে একটা থালার মতো যান নেমে এলো। ধোঁয়া উড়িয়ে সেখান থেকে বেরিয়ে এলো ঠিক কদম আলীর মতোই দেখতে, কিন্তু গায়ের রঙটা একটু সবুজ আর মাথায় দুটো এন্টেন...…
রাতের অন্ধকার আরও গভীর হয়েছে। রেস্টুরেন্টের কোনায় নিয়ন আলোর নিচে দুই কদম আলীর টেবিলটা এখন যেন একটা মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধক্ষেত্র। বাস্তব কদম আলীর চোখে-মুখে এখন আর শুধু সংশয় নয়, বরং এক ধরণের ‘আমি আগেই জানতাম’ মার্কা হিংস্র আনন্দ ফুটে উঠেছে। তিনি চায়ের কাপটা এমনভাবে টেবিলে রাখলেন যাতে চামচটা ঠং করে শব্দ ...…
মে মাসের মধ্যরাতের নিস্তব্ধতা। চায়ের দোকানের ঝাপ অনেক আগেই বন্ধ হয়ে গেছে। শুধু রেস্টুরেন্টের পেছনের আবছা আলোয় বসে আছেন বাস্তব কদম আলী। ওনার চোখের ঘুম উধাও। সারা দেশের মানুষের মুখে এখন একটাই কানাঘুষা, একটাই গুঞ্জন...…